SHAMIM AHMED BLOG

I am shamim ahmed, I love Bangladesh

Saturday, 28 April 2018

একচিলতে রোদ

April 28, 2018 0
একচিলতে রোদ
কনকনে শীত । ঘন কুয়াশায় ঘেরা চারপাশ ,
একটু দুরেই বাঁধা পড়ে দৃষ্টি । তারপর আবার
কুয়াশা । গাঢ় , সাদা কুয়াশা ।
.
হ র র র . . হট . . হট . .
দশটি রুগ্ন পা একসাথে একই ছন্দে চলছে ।
সেই সাথে চলছে রূপালী লাঙল ,
চলছে জীবনের লাঙল . . . .
গরু দুটোর স্বাস্থ্যের অবস্থা খুব খারাপ ,
যতটা ওদের মালিকের । কেমন ঠকঠক
করে কাঁপছে ওরা , যেমনটা কাঁপছে ওদের
মালিকও । ওদের গায়ে যেমন কোন কাপড়
নেই , তেমনি ওদের মালিকের শরীরও প্রায়
পুরোটাই খালি ।
পরনে একটা ছেড়া গামছা চাড়া আর কিছুই
নেই ।
.
কলিম শেখের সম্বল বলতে এই দুটো গাই গরু ,
আর এক টুকরো আবাদি জমি । মাঝেমাঝে গরু
দুটোর জন্য তার খুব মন খারাপ হয় । গরু
দুটোর জীর্নশীর্ন শরীর দেখলে খুব
মায়া লাগে । কলিম শেখের ধারনা তার
শরীর দেখে গরু দুটোরও হয়ত মন খারাপ হয় ,
মায়া হয় । মুখে হয়ত ওরা কিছুই
বলতে পারে না , কিন্তু মাঝেমাঝে কেমন
যেন মলিন দৃষ্টিতে তার
দিকে তাকিয়ে থাকে ওরা !
.
কিরে ! গায়ে জোর নাই ! খাড়াইলি কেন ?
চল চল , টান লাগা . .
হ র র র . . হট . . হট . .
কলিম শেখ গরু দুটোর সাথে অনবরত
কথা বলে যাচ্ছে , আর গরু দুটো হাল
টেনে চলেছে বিরামহীন । লাঙলের পলায়
জমির বুক চিড়ে খন্ড বিখন্ড হয়ে যাচ্ছে ।
কলিম শেখ বড় বড় চোখ
করে তাকিয়ে আছে খন্ডিত মাটির
টুকরোগুলোর দিকে । এ যেন মাটি নয় , এক
এক টুকরো স্বপ্ন ।
ধোঁয়াতোলা ধবধবে সাদা ভাতের
স্বপ্ন . . . .
.
কলিম শেখের দুই ছেলে , দুই মেয়ে ।
ছেলে দুটো বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে ।
আর মেয়ে দুটোরও বিয়ে হয়ে গেছে সেই
কবে ।
.
অনেক , অনেকদিন আগে বাবা রজব শেখ
কলিমের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এই লাঙল-
জোয়াল । তখন কলিমের বয়স বার কি তের
হবে । দীর্ঘ এতগুলো বছর কলিম শেখ সেই
লাঙ্গল-জোয়ালের ভার বহন করে চলেছেন ।
জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় এসেও এতটুকু
বিশ্রাম নেই , এতটুকু ক্লান্তি নেই ।
ক্লান্তি হয়ত আছে , কিন্তু
সেটা মেনে নিতে তিনি একেবারেই নারাজ
। তাইতো আজও শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন
জীবনলাঙলের হাতল . . . .
.
ছেলে-মেয়েরা চেড়ে গেলে কি হবে , একজন
কিন্তু এখনো চেড়ে যায় নি কলিম শেখকে ।
যাকে তিনি পষ্ণাশ বছর আগে পেয়েছিলেন
কোন এক ঝড়ের রাতে । সেই রাতের
কথা কলিম শেখের স্মৃতিতে আজও উজ্জল ,
যেন এই সেদিনের কথা . . . .
.
কলিম শেখের বয়স তখন ষোল কি সতের ।
কি যেন এক কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেন রজব
শেখ । বাঁচার কোন আশা নেই আর । একদিন
রাতে তিনি সবাইকে ডেকে বললেন , আজ
রাতেই তার সময় শেষ । মৃত্যুর
আগে তিনি ছেলের বউয়ের মুখ দেখতে চান ।
তাই তাড়াহুড়ো করে সেই রাতেই কলিম
শেখের বিয়ে দেয়া হয় পাশের গ্রামের
“নছিমন বেওয়া ” এর সাথে । নছিমনের
গায়ের রং কিছুটা কালো ছিল । তাই বাসর
রাতে নছিমনকে দেখে কলিম শেখের মুখটাও
কিছুটা কালো হয়ে গেল ।
ততক্ষনে বাহিরের আকাশটাও
কালো হয়ে গিয়েছিল হয়ত । শুরু হল প্রচন্ড
ঝড় । ভোর রাতের দিকে ঝড় থেমে গেল ,
সেই সাথে থেমে গেল রজব শেখের জীবন
প্রদীপও । কি অদ্ভুত ব্যাপার !
লোকটা আগেই টের পেয়ে গিয়েছিল তার
মৃত্যুর কথা !
.
হ র র র . . হট . . হট . .
কলিমের চোখে পানি । অস্ফুট
স্বরে তিনি বলে উঠলেন , কেমন আছেন
আব্বা . .
তারপর উত্তর দিকের ঐ ঝোপঝাড় ঘেরা পুকুর
পাড়টার দিকে তাকালেন । সেখানেই
ঘুমিয়ে আছেন রজব শেখ গত পষ্ণাশ বছর
ধরে . . . .
.
দীর্ঘ এই জীবনে কলিম শেখ অনেক কিছুই
হারিয়েছেন , অনেকেই
তাকে চেড়ে চলে গেছে । কিন্তু সেই
কালো মেয়েটি আজো রয়ে গেছে তার পাশে ।
কলিম শেখ এবার হাল চেড়ে বসে পড়লেন ।
কুয়াশা তাকে চারপাশ
থেকে ঘিরে ধরেছে যেন । কলিম শেখ
জানেন নছিমন আর বেশী দিন
থাকবে না তার সাথে , যে কোন সময়
চলে যেতে পারে ওপারের ঠিকানায় । গত
পষ্ণাশ বছর ধরে এই কালো মেয়েটাই তার
জীবনকে আলোকিত করে রেখেছিল , সেই
আলো আজ নিভু নিভু ।
.
কলিম শেখ ভেবেই পায় না ,
কিভাবে নছিমন বিহীন
দিনগুলো কাটবে তার । প্রতিদিন
সকালে কে ঘুম ভাঙিয়ে দেবে ? কে পানের
খিলি বানিয়ে দেবে ? কাজ থেকে ফেরার
পর কে শাড়ির আঁচলে ঘাম মুছে দেবে ?
কে তালপাতার পাখায় ক্লান্তিহীন বাতাস
করে যাবে ? জোছনা রাতে কে চাঁদের বুড়ির
গল্প শুনাবে ? ঘুম না আসলে কে মাথায়
বিনি কেটে দেবে ? ঝড়ের রাতে যখন
বাবার কথা মনে পড়বে , তখন
কে তাকে সান্তনা দেবে ?
.
নছিমনকে চাড়া একটি মুহুর্তও
কল্পনা করতে পারেন না কলিম শেখ । সেই
নছিমন আজ ধীরে ধীরে মৃত্যুর
দিকে এগিয়ে চলেছে , অথচ তার কিছুই
করার নেই . . . .
.
কলিম শেখ
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন . .
গাই দুটো ঘাড় বাকা করে তাকিয়ে আছে তার
দিকে । কি অদ্ভুত ব্যাপার ! গাই দুটোর
চোখগুলোও কেমন ভেজা . . ! !
.
ঐতো সূর্য উঠে গেছে । কুয়াশা কাটতে শুরু
করেছে । নরম রোদে চারপাশটা উজ্জল
হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে । কলিম শেখও
উঠে দাড়ালেন সত্তর ছুঁইছুঁই জরাজীর্ন এক
শরীর নিয়ে । মাটির টুকরোয়
জমে থাকা ফোঁটায় ফোঁটায় শিশির
বিন্দুগুলো শুকাতে শুরু করেছে ধীরে ধীরে ।
শুকাতে শুরু
করেছে কোঠরে লুকিয়ে থাকা কলিম শেখের
অশ্রুসিক্ত ছোট্ট ছোট্ট চোখ দুটোও ।
.
হ র র র . . হট . . হট . .
স্বপ্ন কখনো মরে না ,
কখনো থেমে থাকে না ।
গরু দুটোর কাঁধে ভর
দিয়ে এগিয়ে চলেছে জোয়াল , লাঙল । সেই
সাথে এগিয়ে চলেছে কলিম শেখের স্বপ্ন ।
নছিমনকে নিয়ে আরও অনেক দিন
বেঁচে থাকার স্বপ্ন . . . .

Sunday, 18 March 2018

Tuesday, 27 February 2018

সত্য ঘটনা.....✌

February 27, 2018 0
সত্য ঘটনা.....✌
সত্য ঘটনা -
২০১১ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকের ঘটনা। একটু একটু শীত পড়তে শুরু
করেছে।
জেবা আমার স্ত্রী। জেবার বাবার বাড়ি থেকে খবর
এসেছে ওর মার শরীরটা ভীষণ খারাপ
যাচ্ছে। জেবার আর কোন বোন নেই
তাই জেবার ওখানে থাকাটা খুবই
জরুরী। জেবাকে ওর বাবার
বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে সেদিনই রওনা দিলাম। ফিরতে বেশ রাত হল।
মাঝ রাস্তায় এসে হঠাৎ গাড়ি নষ্ট
হয়ে গেল। রাত তখন প্রায়
সাড়ে এগারোটা। আশেপাশে কোন
লোকালয় দেখা যাচ্ছে না। কয়েক
কিলোমিটারের মধ্যে কোন গাড়ির গ্যারেজ আছে কি না তাও সন্দেহ।
গাড়ি থেকে নেমে এদিক সেদিক
তাকালাম। কিন্তু কাউকেই
দেখা যাচ্ছে না। ভীষণ
বিপদে পরে গেলাম। সকাল
না হওয়া পর্যন্ত গাড়িতেই রাত কাটাতে হবে। গাড়ির ভেতর
গিয়ে শুয়ে পড়লাম। ঘুমে সবে মাত্র
একটু একটু চোখ বুজে আসছে, ঠিক এমন
সময় মনে হল কেউ একজন গাড়ির
বাইরে থেকে ঠুকাঠুকি করছে। শব্দ
শুনে চমকে উঠলাম। ভাবলাম কোন ডাকাত নয়তো? গাড়ির গ্লাস সামান্য
একটুকু ফাঁকা করে তাকাতেই
দেখি মাঝ বয়সের এক লোক
দাঁড়িয়ে আছে। সে আমাকে বলল, ভাই
আমি ভীষণ বিপদে পরেছি। পকেটমার
আমার সব টাকা নিয়ে গেছে। এখন আমি আমার বাড়ি যেতে পারছিনা।
দয়া করে আপনার
গাড়ি করে আমাকে একটু
পৌঁছে দিবেন? লোকটার কথায়
প্রথমে ভীষণ বিরক্তিবোধ হচ্ছিল।
পরে মনে হল, বিপদে না পরলে কেউ এভাবে বলেনা। আমি তাকে বললাম,
ভাই আমার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে। আর
এজন্য আমি নিজেই যেতে পারছিনা।
আপনাকে নিব কিভাবে?
লোকটি বলল, আপনার গাড়ি ঠিকই
আছে। দেখেন! আমি লোকটির কথা শুনে গাড়িতে স্টার্ট দেই।
কি অদ্ভুত ব্যাপার! গাড়ি প্রথম স্টার্ট
দিতেই চালু হয়ে গেল। ব্যাপারটা তখন
আমার কাছে কাকতালীয় মনে হচ্ছিল।
ভাবলাম গাড়ি যেহেতু ঠিক
হয়ে গেছে, তাহলে শুধু শুধু এখানে থাকার কোন মানে হয়না। তাই
আমি লোকটিকে গাড়িতে উঠতে বললাম।
লোকটি যখন গাড়িতে উঠল, তখন তার
সাথে কি একটা যেন বড় ঝুপড়ির মত
গাড়িতে উঠাল।
লোকটিকে নিয়ে আমি গাড়ি চালাতে শুরু করলাম। আমি বেশ কয়েকবার লোকটির
নাম জিজ্ঞেস করলাম। কিন্তু
লোকটি কোন কথা বলছেনা। কিন্তু
গাড়িতে ওঠার আগে আমার
সাথে দিব্যি কথা বলছিল। যাইহোক,
আমি গাড়ি চালাচ্ছি। এমন সময় হঠাৎ আমার চোখ গেল লুকিং গ্লাসের
দিকে। আর আমি যা দেখতে পেলাম
তাতে আমার প্রান যায় যায় অবস্থা।
দেখি যে লোকটা গাড়িতে উঠছিল
সে ওখানে নেই। বরং তার জায়গায়
বসে আছে একটা বিশ্রী চেহারার অবয়ক। আমি ভয় পেয়ে গেলাম। আবার
ভাবলাম হয়তো আমার দেখার ভুল
হতে পারে। আমি পেছনে তাকালাম।
কিন্তু কি অদ্ভুত ব্যাপার! আমি এতক্ষন
লুকিং গ্লাসে যা দেখলাম তার
পুরটাই ছিল ভুল। আসলে সেখানে কোন অবয়ক ছিল না বরং সেই লোকটাই
বসেছিল।
গাড়ি চালাতে চালাতে আবার
আমার চোখ গেল লুকিং গ্লাসের
দিকে। এবার আমি শুধু সেই
অবয়কটাকেই দেখছিনা। এবার আমি দেখতে পাচ্ছি তার
সাথে আনা সেই
ঝুপড়ি থেকে সে অনেক গুলো মানুষের
হাত আর পা বের করে তার কোলের
উপরে রেখেছে আর
একটা একটা করে টেনে ছিরে ছিরে খাচ্ছে। আমি এবার আরও ভয় পেয়ে গেলাম।
ভাবলাম চোখের দেখা একবার ভুল
হতে পারে। তাই বলে বার বার?
আমি আবার সাহস
করে পেছনে তাকালাম। কিন্তু না।
এবারও মিলছে না। সেখানে সেই ধরনের কোন কিছুই নেই। লোকটা এবার
আমায় জিজ্ঞেস করল, আপনি কি ভয়
পাচ্ছেন? আমি লোকটাকে কোন কিছু
বুঝতে না দিয়ে বললাম, না আমি ভয়
পাচ্ছি না। এরপর আমি আর
লুকিং গ্লাসের দিকে তাকানোর চেষ্টা করলাম না। তারপর কিছু দূর
যেতেই লোকটা আমাকে বলল, ভাই
গাড়ি রাখেন। আমি এখানেই নামব।
কিন্তু সে যেখানে নামল,
সেখানে না ছিল কোন লোকালয় আর
না ছিল কোন মানুষের আনাগোনা। জায়গাটা ছিল একেবারেই ফাঁকা।
লোকটা যখন নামল তখন তার
সাথে করে আনা সেই ঝুপড়িটি আর
দেখতে পেলাম না। আমি গাড়ির
এখানে ওখানে তাকালাম। কিন্তু
কোথাও সেই ঝুপড়িটি নেই। এবার লোকটি গাড়ি থেকে নেমে আমার
কাছে এসে বলল, এতক্ষন যা দেখেছ সব
ঠিকই দেখেছ।
ব্যাপারটা কাউকে কখনো বোলো না।
তার কণ্ঠস্বর পুরোটাই চেঞ্জ।
আমি বলে বুঝাতে পারবনা। ভয়ে আমার হাত পা কাজ করছে না।
এরপর আমি কিছুদিন ব্যাপারটা আড়াল
করে রাখলেও সম্পূর্ণভাবে তা আড়াল
করতে পারিনি। আমি প্রায় রাতেই
ঘুমের
ঘোরে গাড়িতে ঘটে যাওয়া ব্যাপারটা সপ্নে দেখতে থাকি আর চিৎকার করে উঠি। জেবা আমার
চিৎকারের কারন জিজ্ঞেস
করলে আমি জেবাকে ব্যাপারটা শেয়ার
করি। এরপর বেশ কয়কদিন আমি ঘুমের
ঘোরে আর সেই স্বপ্ন দেখিনি।
ভেবেছিলাম হয়তো সব ঠিক হয়ে গেছে।
কিন্তু না!
ঘটনাটা এখানেই শেষ না হয়ে তার
ঠিক কিছুদিন পর আমার সাথে আরও বড়
কিছু ঘটল। সেদিন অফিস ছুটির পর
গাড়ি খারাপ থাকার কারনে একটা রিক্সায়
করে বাড়ি ফিরছিলাম। রাত তখন
প্রায় ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মত। মাঝ
রাস্তায় এসে হঠাৎ
রিকশা থেমে গেল। আমি বললাম, ভাই
কি হইছে? রিকশাওয়ালা আমার দিকে মুখ ফিরে তাকাল। কিন্তু
যা দেখতে পেলাম সেটা কখনই
আশা করিনি। এটা সেই লোক,
যাকে আমি কিছুদিন আগেই
গাড়িতে লিফট দিয়েছিলাম।
সে আমার দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে বলল,
আপনাকে না বলছিলাম
ব্যাপারটা কাউকে না বলতে। কেন
বললেন আপনি? তার কথা শেষ
হতে না হতেই আমি রিকশা থেকে এক
লাফে নেমে দৌড় শুরু করি। আর অসতর্ক ভাবে রাস্তা পার
হতে গিয়ে এক্সিডেন্টে আমার
একটা পায়ে প্রচণ্ড চোট পাই।
জেবার এক চাচা ছিল, যে কিনা জিন/ভুত
বিষয়ে অনেক কিছুই জানতেন।
ঘটনা শুনে তিনি আমাদের বাসায় আসে আর আমাকে একটা তাবিজ দেয়।
তিনি আরও বলেন আমাকে খুব সতর্ক
হয়ে থাকতে। কেননা তার ধারনা সেই
অবয়কটা সুযোগ পেলেই আমার
ক্ষতি করতে পারে। তার দেয়া সেই
তাবিজ এখনো আমার হাতে বাধা এবং এই পর্যন্ত ঐ ধরনের
কোন সমস্যা আমাকে আর ফেস
করতে হয়নি। এমন কি সেই দুঃস্বপ্ন আর
কখনও দেখিনি।
এই ছিল ঘটনা , 

How to Change Imo Ringtone With new Version

February 27, 2018 1
How to Change Imo Ringtone With new Version

Hello Friends আপনার অনেকেই জানেনা যে ইমুর রিংটন পাল্টানো যা.... আর যার জানেন না তারা এই ভিডিও টা দেখুন,  ধন্যবাদ!!!





https://youtu.be/36pVfFkNd68 এর ছবির ফলাফল



How To Change Youtube Channel Name

February 27, 2018 0
How To Change  Youtube Channel Name